জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করায় উদ্বেগ প্রকাশ
| আপডেট: ০২:৪৮, জানুয়ারি ২১, ২০১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুবায়ের হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার বিকেলে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’
ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এক সংবাদ সমেঞ্চলনে এ
উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংবাদ সমেঞ্চলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সামজীর আহমেদ। তিনি বলেন, ‘জুবায়ের হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। কিন্তু গত রোববার মামলার সাত আসামি দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন, যা খুবই উদ্বেগজনক। মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আজীম উদ্দিনের মদদ রয়েছে বলে আমরা মনে করি। এ ঘটনার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিতে হবে।’
এ ছাড়া ওই হত্যা মামলার একজন আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসে চাকরি পেয়েছেন বলেও জানানো হয় সংবাদ সমেঞ্চলনে। প্রশাসনের কাছে ওই আসামির চাকরির নিয়োগ স্থগিত করাসহ মামলার অন্য আসামিদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। জুবায়ের হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করার দাবিও তুলে ধরা হয়। এছাড়া ওই মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। জুবায়ের হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত দুই ছাত্রকে গত রোববার ঢাকা জজ আদালতের পাশের একটি গলিতে মামলার সাত আসামি মারধর করেন।
২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি ছাত্রলীগ কর্মীদের মারধরের শিকার হন একই সংগঠনের কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমদ। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি মারা যান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংবাদ সমেঞ্চলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সামজীর আহমেদ। তিনি বলেন, ‘জুবায়ের হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। কিন্তু গত রোববার মামলার সাত আসামি দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন, যা খুবই উদ্বেগজনক। মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আজীম উদ্দিনের মদদ রয়েছে বলে আমরা মনে করি। এ ঘটনার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিতে হবে।’
এ ছাড়া ওই হত্যা মামলার একজন আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসে চাকরি পেয়েছেন বলেও জানানো হয় সংবাদ সমেঞ্চলনে। প্রশাসনের কাছে ওই আসামির চাকরির নিয়োগ স্থগিত করাসহ মামলার অন্য আসামিদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। জুবায়ের হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করার দাবিও তুলে ধরা হয়। এছাড়া ওই মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। জুবায়ের হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত দুই ছাত্রকে গত রোববার ঢাকা জজ আদালতের পাশের একটি গলিতে মামলার সাত আসামি মারধর করেন।
২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি ছাত্রলীগ কর্মীদের মারধরের শিকার হন একই সংগঠনের কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমদ। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি মারা যান।
No comments:
Post a Comment