গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি রাজনীতি নয়, সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালায়
| আপডেট: ১৫:১০, জানুয়ারি ২৫, ২০১৪
আজ শনিবার দুপুরে গাইবান্ধায় সার্কিট হাউস মিলনায়তনে নির্বাচন-পূর্ববর্তী ও নির্বাচনকালীন সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত ও হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন ঠেকানোর নামে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করে। অনেকের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তাদের হাত থেকে নারীরাও রক্ষা পাচ্ছে না। এত বীভত্স দৃশ্য কখনো দেখিনি। বিএনপি যা করেছে, তা জঙ্গিবাদী ঘটনা।’
ক্ষতিগ্রস্তদের মনের জোর রাখার অনুরোধ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের সন্তান ফেরত দিতে পারব না, তবে আপনাদের নিরাপত্তা দেব। আর যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য যা করা দরকার, তা-ই করব। দেশকে জঙ্গিবাদী হতে দেব না।’
স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। যতটা কঠিন হওয়া দরকার, ততটা কঠিন হতে হবে।’ তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়েছে। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত এই বিচার আইন মানবে না, তা হয় না। যেভাবে হোক, সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী সহিংসতায় হতাহত ও ক্ষতির শিকার হয়েছে, এমন ৭৫টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন। নিহত তিনজনের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে গাইবান্ধা শহরের অদূরে তুলশীঘাট হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। এরপর তিনি গাইবান্ধা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে গিয়ে সহিংসতায় হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ স্টেডিয়াম মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
1 comment:
Post a Comment