সাতক্ষীরায় সন্ত্রাস থাকবে না, অভিযান চলবে: প্রধানমন্ত্রী
| আপডেট: ১৫:১৪, জানুয়ারি ২০, ২০১৪
সাতক্ষীরায়
আর সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ থাকবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা। একই সঙ্গে যৌথ বাহিনীর অভিযানও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
আজ সোমবার সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে জামায়াত-শিবিরের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বেলা পৌনে দুইটায় তিনি হেলিকপ্টারযোগে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি সার্কিট হাউসে যান।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই, সাতক্ষীরায় সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ থাকবে না। সে জন্য যা যা করণীয় তা করা হবে। যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘অমি একজন ভুক্তভোগী। আমার মা, বাবা, ভাইসহ অনেক আত্মীয়স্বজনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি রাজনীতি করি তাদের জন্য, যারা এ দেশে নির্যাতিত নিষ্পেশিত।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের কারণে দেশে যে সহিংসতা, মানুষ হত্যা, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে, তা কোনো অবস্থায় মেনে নেওয়া হবে না।’ হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘নির্যাতনকারীরা বাংলাদেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে খুঁজে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে। আপনাদের স্বজনদের আমি ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে তাঁদের হত্যাকারী ও হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করব।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত ১৬ জনের পরিবারসহ ১৫৪ জনের হাতে নগদ অর্থ সাহায্য তুলে দেন। আর যাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ঘরবাড়ি সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
বেলা সোয়া তিনটায় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান ও পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির প্রথম আলোকে মুঠোফোনে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সাতক্ষীরা সফর নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা শহরসহ জনসভাস্থলের চারদিকে সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। টহলে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিট।
আজ সোমবার সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে জামায়াত-শিবিরের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বেলা পৌনে দুইটায় তিনি হেলিকপ্টারযোগে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি সার্কিট হাউসে যান।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই, সাতক্ষীরায় সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ থাকবে না। সে জন্য যা যা করণীয় তা করা হবে। যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘অমি একজন ভুক্তভোগী। আমার মা, বাবা, ভাইসহ অনেক আত্মীয়স্বজনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি রাজনীতি করি তাদের জন্য, যারা এ দেশে নির্যাতিত নিষ্পেশিত।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের কারণে দেশে যে সহিংসতা, মানুষ হত্যা, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে, তা কোনো অবস্থায় মেনে নেওয়া হবে না।’ হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘নির্যাতনকারীরা বাংলাদেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে খুঁজে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে। আপনাদের স্বজনদের আমি ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে তাঁদের হত্যাকারী ও হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করব।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত ১৬ জনের পরিবারসহ ১৫৪ জনের হাতে নগদ অর্থ সাহায্য তুলে দেন। আর যাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ঘরবাড়ি সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
বেলা সোয়া তিনটায় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান ও পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির প্রথম আলোকে মুঠোফোনে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সাতক্ষীরা সফর নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা শহরসহ জনসভাস্থলের চারদিকে সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। টহলে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিট।
No comments:
Post a Comment