আগামীকালের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন
| আপডেট: ০৩:৩৮, জানুয়ারি ১৮, ২০১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ
উপজেলা
পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কাল
রোববার এই তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র
জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার কয়েক দফা সভা করে। সেদিন সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রাথমিক ফরমসমূহ মুদ্রণের বিষয়ে উদ্যোগ নেয় কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বেশ কয়েকটি উপজেলা পরিষদের ক্ষেত্রে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হবে মার্চ মাসে। এ অবস্থায় উপজেলা নির্বাচন আয়োজন যুক্তিসংগত হবে কি না, তা পর্যালোচনা করছে কমিশন। পর্যালোচনার অংশ হিসেবে আজ শনিবার বেলা তিনটায় কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সভা হবে। এতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। কাল রোববার বেলা ১১টায় কমিশনের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নির্বাচন কমিশনার বৃহস্পতিবার বলেন, চতুর্থ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সবকিছু পর্যালোচনা এবং যাচাই-বাছাই করে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর এ নির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো কমিশনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আইনি বাধ্যবাধকতা আছে।
কমিশন সূত্র জানায়, সাংবিধানিকভাবে স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচন করার দায়িত্ব কমিশনের নয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। কোনো দৈবদুর্বিপাকজনিত বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার পরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এক বা একাধিক তারিখ নির্ধারণ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তিসংগত কারণ উপস্থাপন করা হলে নির্বাচন পেছানোতে কোনো সমস্যা নেই।
বিভিন্ন জটিলতায় ১৯ বছর পর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি উপজেলা পরিষদের তৃতীয় নির্বাচন হয়। নির্বাচনের পর উপজেলা পরিষদগুলোর প্রথম সভা হয় ওই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মের মধ্যে। আইন অনুসারে প্রথম সভা অনুষ্ঠানের দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর হচ্ছে উপজেলা পরিষদের মেয়াদ। এ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। সম্প্রতি ছয়টি নতুন উপজেলা গঠিত হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে উপজেলা পরিষদের সংখ্যা ৪৮৭টি।
১৯৮২ সালে উপজেলা পদ্ধতির প্রবর্তন হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথমবারের মতো এবং ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর উপজেলা পদ্ধতি বাতিল করে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে আবার উপজেলা পদ্ধতি চালু করে। কিন্তু ওই সময়ে নির্বাচন হয়নি।
নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার কয়েক দফা সভা করে। সেদিন সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রাথমিক ফরমসমূহ মুদ্রণের বিষয়ে উদ্যোগ নেয় কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বেশ কয়েকটি উপজেলা পরিষদের ক্ষেত্রে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হবে মার্চ মাসে। এ অবস্থায় উপজেলা নির্বাচন আয়োজন যুক্তিসংগত হবে কি না, তা পর্যালোচনা করছে কমিশন। পর্যালোচনার অংশ হিসেবে আজ শনিবার বেলা তিনটায় কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সভা হবে। এতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। কাল রোববার বেলা ১১টায় কমিশনের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নির্বাচন কমিশনার বৃহস্পতিবার বলেন, চতুর্থ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সবকিছু পর্যালোচনা এবং যাচাই-বাছাই করে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর এ নির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো কমিশনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আইনি বাধ্যবাধকতা আছে।
কমিশন সূত্র জানায়, সাংবিধানিকভাবে স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচন করার দায়িত্ব কমিশনের নয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। কোনো দৈবদুর্বিপাকজনিত বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার পরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এক বা একাধিক তারিখ নির্ধারণ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তিসংগত কারণ উপস্থাপন করা হলে নির্বাচন পেছানোতে কোনো সমস্যা নেই।
বিভিন্ন জটিলতায় ১৯ বছর পর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি উপজেলা পরিষদের তৃতীয় নির্বাচন হয়। নির্বাচনের পর উপজেলা পরিষদগুলোর প্রথম সভা হয় ওই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মের মধ্যে। আইন অনুসারে প্রথম সভা অনুষ্ঠানের দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর হচ্ছে উপজেলা পরিষদের মেয়াদ। এ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। সম্প্রতি ছয়টি নতুন উপজেলা গঠিত হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে উপজেলা পরিষদের সংখ্যা ৪৮৭টি।
১৯৮২ সালে উপজেলা পদ্ধতির প্রবর্তন হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথমবারের মতো এবং ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর উপজেলা পদ্ধতি বাতিল করে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে আবার উপজেলা পদ্ধতি চালু করে। কিন্তু ওই সময়ে নির্বাচন হয়নি।
No comments:
Post a Comment