উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছেন ওবামা
|
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও প্রস্তাব
নিয়ে মাঠে নামছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কাল মঙ্গলবার
রাতে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতায় তিনি তাঁর
কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরবেন। প্রথা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট বছরের শুরুতে কংগ্রেসের যৌথ সভায় বক্তৃতা দিয়ে থাকেন, যা স্টেট
অব ইউনিয়ন নামে পরিচিত।
হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, এবারের স্টেট অব ইউনিয়ন হবে ভিন্ন মাত্রার। হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ডেন পেইফার গত শনিবার বলেছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখার কথাই প্রেসিডেন্ট তুলে ধরবেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তের জীবনমানের কার্যকর উন্নয়নের কর্মকৌশল ঘোষণা করা হবে ওই বক্তৃতায়।
কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার পরদিনই মাঠে নামবেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার জন্য তিনি ম্যারিল্যান্ড ও টেনেসিতে দুটি পৃথক সভায় বক্তব্য দেবেন। হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, সমঝোতার মাধ্যমে কাজ করার জন্য আইনপ্রণেতাদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ওবামা পুনরায় আহ্বান জানাবেন।
রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বাজেট বরাদ্দ থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট ওবামা ঘোষিত সংস্কারের উদ্যোগ বারবার ব্যাহত হচ্ছে আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতার কারণে। অভিবাসন সংস্কারের মতো জরুরি বিষয়েও কোনো আইন প্রণয়ন সম্ভব হয়নি গত পাঁচ বছরে। দ্বিতীয় দফা ক্ষমতার মধ্যভাগে পৌঁছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এখন অনেকটা আগ্রাসী উদ্যোগ নেবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এবারের স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতায় তার প্রমাণ থাকবে বলে আগাম ধারণা দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংস্কারের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা বলতে পারেন। অভিবাসন আইনের সংস্কার নিয়ে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধীর গতি ও ব্যাপক কর্মহীনতায় মার্কিন মধ্যবিত্তের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের আয়ের তারতম্য তীব্র হয়ে উঠেছে। সামাজিক বৈষম্য বেড়েছে। এ অবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণের কর্মপরিকল্পনার কথা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবারে তাঁর স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতায় তুলে ধরবেন। হোয়াইট হাউস থেকে ধারণা দেওয়া হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ওবামার এবারের বক্তৃতা হবে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত।
স্টেট অব ইউনিয়ন নামে পরিচিত এ বক্তৃতার কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা না থাকলেও প্রথাটি প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের সময় থেকে চালু আছে। রেকর্ড থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসন ও প্রেসিডেন্ট জেমস এ গারফিল্ড কোনো স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতা দেননি। এর মধ্যে প্রথমজন মাত্র ৩২ দিন এবং দ্বিতীয়জন মাত্র ১৯৯ দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় ছিলেন।
হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, এবারের স্টেট অব ইউনিয়ন হবে ভিন্ন মাত্রার। হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ডেন পেইফার গত শনিবার বলেছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখার কথাই প্রেসিডেন্ট তুলে ধরবেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তের জীবনমানের কার্যকর উন্নয়নের কর্মকৌশল ঘোষণা করা হবে ওই বক্তৃতায়।
কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার পরদিনই মাঠে নামবেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার জন্য তিনি ম্যারিল্যান্ড ও টেনেসিতে দুটি পৃথক সভায় বক্তব্য দেবেন। হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, সমঝোতার মাধ্যমে কাজ করার জন্য আইনপ্রণেতাদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ওবামা পুনরায় আহ্বান জানাবেন।
রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বাজেট বরাদ্দ থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট ওবামা ঘোষিত সংস্কারের উদ্যোগ বারবার ব্যাহত হচ্ছে আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতার কারণে। অভিবাসন সংস্কারের মতো জরুরি বিষয়েও কোনো আইন প্রণয়ন সম্ভব হয়নি গত পাঁচ বছরে। দ্বিতীয় দফা ক্ষমতার মধ্যভাগে পৌঁছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এখন অনেকটা আগ্রাসী উদ্যোগ নেবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এবারের স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতায় তার প্রমাণ থাকবে বলে আগাম ধারণা দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংস্কারের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা বলতে পারেন। অভিবাসন আইনের সংস্কার নিয়ে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধীর গতি ও ব্যাপক কর্মহীনতায় মার্কিন মধ্যবিত্তের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের আয়ের তারতম্য তীব্র হয়ে উঠেছে। সামাজিক বৈষম্য বেড়েছে। এ অবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণের কর্মপরিকল্পনার কথা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবারে তাঁর স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতায় তুলে ধরবেন। হোয়াইট হাউস থেকে ধারণা দেওয়া হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ওবামার এবারের বক্তৃতা হবে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত।
স্টেট অব ইউনিয়ন নামে পরিচিত এ বক্তৃতার কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা না থাকলেও প্রথাটি প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের সময় থেকে চালু আছে। রেকর্ড থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসন ও প্রেসিডেন্ট জেমস এ গারফিল্ড কোনো স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতা দেননি। এর মধ্যে প্রথমজন মাত্র ৩২ দিন এবং দ্বিতীয়জন মাত্র ১৯৯ দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় ছিলেন।
No comments:
Post a Comment