অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা দমন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
|
আপডেট: ২১:৪৬, জানুয়ারি ২৯, ২০১৪
রাজনীতির নামে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা দমন করতে হবে বলে
মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে
আনতে হবে।
আজ বুধবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে আবদুল হামিদ এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মহাজোট সরকার অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ বা ক্ষমতার পালাবদল বন্ধ করার প্রত্যয়ে বলীয়ান ছিল। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অমর্যাদাকর পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় গণতন্ত্রের অনুসারী অন্যান্য দেশের অনুরূপ নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
বিরোধী দলের অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মহাজোট সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ২০০৯ সালে কতিপয় বিরোধী রাজনৈতিক দল অসহযোগিতা ও সংঘাতের পথ গ্রহণ করে। বিচার শুরু হওয়ার পর থেকেই তারা যুদ্ধাপরাদীদের রক্ষায় মরিয়া হয়ে ওঠে। তারা ক্রমাগত সংসদ বর্জন এবং সংবিধান সংশোধনের কাজে সহযোগিতা করেননি। নির্বাচনকালীন সরকারের প্রশ্নে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আমন্ত্রণ সংসদেও তত্কালীন বিরোধী দল প্রত্যাখ্যান করে। বিরোধী দলকে সর্বদলীয় সরকারে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। এমনকি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসাবে তারা যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহনে আগ্রহী, সে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদানেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু বিরোধী দল সরকারের সে আমন্ত্রণে সাড়া না দিয়ে নির্বাচন প্রতিহত করার পথ বেছে নেয়। প্রধান বিরোধী দলের অসহযোগিতার প্রেক্ষাপটে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিকূল পরিবেশ স্বত্ত্বেও অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনকালীন সহিংসতায় ধ্বংস করা হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চড়াও হয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। রাজনীতির নামে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির এ ধরনের অপচেষ্টা দমন করতে হবে। জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।
রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে মহাজোট সরকারের আমলে উন্নয়নমূলক নানা কাজেরও উল্লেখ করেন।
আজ বুধবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে আবদুল হামিদ এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মহাজোট সরকার অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ বা ক্ষমতার পালাবদল বন্ধ করার প্রত্যয়ে বলীয়ান ছিল। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অমর্যাদাকর পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় গণতন্ত্রের অনুসারী অন্যান্য দেশের অনুরূপ নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
বিরোধী দলের অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মহাজোট সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ২০০৯ সালে কতিপয় বিরোধী রাজনৈতিক দল অসহযোগিতা ও সংঘাতের পথ গ্রহণ করে। বিচার শুরু হওয়ার পর থেকেই তারা যুদ্ধাপরাদীদের রক্ষায় মরিয়া হয়ে ওঠে। তারা ক্রমাগত সংসদ বর্জন এবং সংবিধান সংশোধনের কাজে সহযোগিতা করেননি। নির্বাচনকালীন সরকারের প্রশ্নে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আমন্ত্রণ সংসদেও তত্কালীন বিরোধী দল প্রত্যাখ্যান করে। বিরোধী দলকে সর্বদলীয় সরকারে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। এমনকি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসাবে তারা যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহনে আগ্রহী, সে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদানেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু বিরোধী দল সরকারের সে আমন্ত্রণে সাড়া না দিয়ে নির্বাচন প্রতিহত করার পথ বেছে নেয়। প্রধান বিরোধী দলের অসহযোগিতার প্রেক্ষাপটে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিকূল পরিবেশ স্বত্ত্বেও অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনকালীন সহিংসতায় ধ্বংস করা হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চড়াও হয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। রাজনীতির নামে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির এ ধরনের অপচেষ্টা দমন করতে হবে। জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।
রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে মহাজোট সরকারের আমলে উন্নয়নমূলক নানা কাজেরও উল্লেখ করেন।
No comments:
Post a Comment