সোহাগ গাজীর ডট বল তত্ত্ব ও জয়াবর্ধনের শিক্ষা
|
আপডেট: ২২:৩৯, জানুয়ারি ২৯, ২০১৪
সংবাদ সম্মেলনে সোহাগকে আর কিই বা প্রশ্ন করা যায়! পটুয়াখালীর এই তরুণকে বলা হয় ‘নতুন বাংলাদেশের প্রতিনিধি’। সত্যিই তো তা-ই। এই অফস্পিনারের অভিষেকের পর টেস্ট ক্রিকেটে এত করুণ অবস্থায় যে বাংলাদেশ কখনোই পড়েনি। সোহাগ গাজীর দিকে ছুটে গেল প্রশ্নটা। তিনিও বললেন ওই পুরোনো কথাগুলোই, ‘এটা ক্রিকেট। এতে এমন অবস্থায় কোনো দল পড়তেই পারে। আমরা চেষ্টা করব বাকি দুুটো দিন ভালো খেলতে।’
কিন্তু গাজী সংবাদ সম্মেলনে দিলেন নতুন এক তথ্য। তথ্যটি একটু বিভ্রান্তির মধ্যেই ফেলে দিল উপস্থিত সাংবাদিকদের, ‘ম্যানেজমেন্ট আমাদের যত বেশি সম্ভব ডট বল করতে বলেছে। আমরাও চেষ্টা করেছি ডট বল করতে। পার্টনারশিপ বোলিংও করেছি। চিন্তা ছিল এমন যে, ওরা ভুল করবে, আমরা ভুলের সুযোগ নেব।’
ডট বলের ব্যাপারটিই তো বিভ্রান্তিমূলক। টেস্ট ম্যাচ তো উইকেট নেওয়ার খেলা। ডট বল করে কত দূর কী হবে, সেই প্রশ্ন করে অবশ্য সোহাগকে বিব্রত করতে চাননি সাংবাদিকেরা।
তামিমকে সামনে না পেয়ে দিনের একেবারে শেষ লগ্নে তাঁর ওই বেহিসাবি, উন্মাতাল ব্যাটিং সম্বন্ধে প্রশ্ন ছুটে গিয়েছিল সোহাগের দিকে। দলের সিনিয়র সদস্যের রক্ষাকবচ হয়ে তিনি বললেন, ‘তামিম ভাই কিন্তু অতীতে অনেক দারুণ দারুণ ইনিংস খেলেছেন। আজকে একটা ভুল হয়ে গেছে। তিনি ড্রেসিংরুমে ফিরে যথেষ্ট অনুতপ্ত।’
সোহাগ দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের ব্যাটিং সম্পর্কেও বলেছেন। রান নয়, সময়ক্ষেপণের খেলাটিই খেলতে হবে তাঁকে—জানালেন তিনি, ‘১০ রান করতে যেন ১০০ বল খেলি, লক্ষ্য এমনই।’ মাহেলা জয়াবর্ধনের ব্যাটিংও সারা দিন তাঁদের অনেক কিছুই শিখিয়েছে বলেই জানালেন।
সারা দিনে জয়াবর্ধনের ব্যাটিং থেকে যদি কিছু শেখে মুশফিকের দল, মিরপুর টেস্টে সেটিই হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি!
No comments:
Post a Comment