|
আপডেট:
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপে
খুশি হয়েছে ভারত।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এ কথা জানিয়েছেন। তিন দিনের সফরে স্পিকার গতকাল বুধবার ভারত যান। সেখানে তিনি লোকসভার স্পিকার মীরা কুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন। আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্পিকারের আধঘণ্টা আলোচনা হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার অতি দ্রুত ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য নবনির্বাচিত সরকারকে তিনি অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সুসম্পর্কের উল্লেখ করে মনমোহন সিং বলেন, ২০১০-১১ সালে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ সফরের মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে তাঁর বিশ্বাস। সে জন্য দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের আরও উন্নতি প্রয়োজন। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কও আরও বাড়ানো দরকার।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দিয়ে বলেন, দুই দেশের সাংসদদেরও দুই দেশে আরও বেশি করে যাওয়া প্রয়োজন। এই পারস্পরিক যাতায়াত পরস্পরকে জানতে ও বুঝতে আরও সাহায্য করবে। গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে। প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের ওই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।
স্পিকার তিস্তা ও সীমান্ত বিলের ভবিষ্যত্ নিয়ে জানতে চাইলে মনমোহন বলেন, এই দুই বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের প্রচেষ্টা জারি রয়েছে। তাঁর আশা, শিগগিরই তা বাস্তবায়িত হবে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী রাজ্যসভার বিরোধী নেতা অরুণ জেটলির সঙ্গেও দেখা করেছেন। আগামীকাল শুক্রবার তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করবেন।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এ কথা জানিয়েছেন। তিন দিনের সফরে স্পিকার গতকাল বুধবার ভারত যান। সেখানে তিনি লোকসভার স্পিকার মীরা কুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন। আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্পিকারের আধঘণ্টা আলোচনা হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার অতি দ্রুত ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য নবনির্বাচিত সরকারকে তিনি অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সুসম্পর্কের উল্লেখ করে মনমোহন সিং বলেন, ২০১০-১১ সালে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ সফরের মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে তাঁর বিশ্বাস। সে জন্য দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের আরও উন্নতি প্রয়োজন। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কও আরও বাড়ানো দরকার।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দিয়ে বলেন, দুই দেশের সাংসদদেরও দুই দেশে আরও বেশি করে যাওয়া প্রয়োজন। এই পারস্পরিক যাতায়াত পরস্পরকে জানতে ও বুঝতে আরও সাহায্য করবে। গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে। প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের ওই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।
স্পিকার তিস্তা ও সীমান্ত বিলের ভবিষ্যত্ নিয়ে জানতে চাইলে মনমোহন বলেন, এই দুই বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের প্রচেষ্টা জারি রয়েছে। তাঁর আশা, শিগগিরই তা বাস্তবায়িত হবে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী রাজ্যসভার বিরোধী নেতা অরুণ জেটলির সঙ্গেও দেখা করেছেন। আগামীকাল শুক্রবার তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করবেন।
No comments:
Post a Comment