জয়ের জন্যই সবকিছু করা, বললেন মাশরাফি
|
আপডেট
প্রথম
স্পেলে দারুণ বোলিং করার পরও শেষ ওভারে সাকিব-আরাফাতকে বোলিং না দিয়ে কেন
ফরহাদ রেজাকে দেওয়া হলো? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল শেষ ওভারের শুরুতেই।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বিন মুর্তজার উত্তর, ‘বল একেবারেই
ভেজা ছিল। স্পিনারদের বল গ্রিপ করার মতো অবস্থা ছিল না। বেশ আগে থেকেই ঠিক
ছিল যে আমি আর রুবেল ১৮-১৯ ওভারে রানটা চেক দিয়ে রাখব। শেষ ওভারে ফরহাদকে
দেওয়া হবে। কারণ স্পিনাররা বল গ্রিপ করতেই পারছিল না। পেসারদের হাত থেকেই
বল ফসকে যাচ্ছিল, ক্রস সিম বোলিং করতে হয়েছে আমাদের।’
কিন্তু ফরহাদের বলে গতি-বাউন্স বলার মতো নয়, তবুও কেন এ ঝুঁকিটা নিলেন অধিনায়ক? মাশরাফির উত্তর, ‘ফরহাদ বাউন্সার এমনিতে খারাপ করে না। আমাদের ভাবনা ছিল, বাউন্সার খেলতে গিয়ে সেনানায়েকে হয়তো মিস টাইমিং করে ক্যাচ দিয়ে দেবে। বলটা পড়ে আরও ধীর হয়ে যাওয়ায় সেনানায়েকের খেলতে সহজ হয়েছে। হয়তো ইয়র্কার করতে পারত। কিন্তু তাতে ১ রান হতোই, আমরা চেয়েছিলাম উইকেট নিয়ে ম্যাচ জিততে।’
কিন্তু ফরহাদের বলে গতি-বাউন্স বলার মতো নয়, তবুও কেন এ ঝুঁকিটা নিলেন অধিনায়ক? মাশরাফির উত্তর, ‘ফরহাদ বাউন্সার এমনিতে খারাপ করে না। আমাদের ভাবনা ছিল, বাউন্সার খেলতে গিয়ে সেনানায়েকে হয়তো মিস টাইমিং করে ক্যাচ দিয়ে দেবে। বলটা পড়ে আরও ধীর হয়ে যাওয়ায় সেনানায়েকের খেলতে সহজ হয়েছে। হয়তো ইয়র্কার করতে পারত। কিন্তু তাতে ১ রান হতোই, আমরা চেয়েছিলাম উইকেট নিয়ে ম্যাচ জিততে।’
শেষ বলে ফরহাদের ওই শর্ট বলই ডেকে আনল চূড়ান্ত সর্বনাশ। তবে সবই নাকি
করা হয়েছে জয়ের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। মাশরাফির যুক্তি, ‘আমাদের সবার
ভাবনা ছিল ১ রান দিয়ে ম্যাচ টাই করার চেয়ে জয়ের চেষ্টা করা ভালো। এজন্যই
পরিকল্পনা ছিল, শেষ বলে বাউন্সার করা। কিন্তু বল ভিজে এত নরম হয়ে গিয়েছিল
যে ফরহাদ শর্ট বল করলেও বল ঠিকমতো লাফায়নি। উল্টো উইকেটে পড়ার পর বল মন্থর
হয়ে গেছে।’
তবে প্রকৃতিও এখানে জয়-পরাজয়ের বড় একটি নিয়ামক হয়ে দেখা দিয়েছে। শিশির
যদি বড় একটা পার্থক্য গড়ে দেয়, তাহলে টস জিতেও কেন আগে ব্যাটিং নেওয়া?
অধিনায়ক জানালেন, ‘আগের ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিলাম শিশিরকে
মাথায় রেখেই। কিন্তু সেদিন শিশির পড়েনি, শ্রীলঙ্কা সুবিধা পেয়েছিল। সেদিন
শিশির পড়েনি দেখে আজ আগে ব্যাটিং নিলাম, কিন্তু আজকে অনেক শিশির পড়ল!
দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কী বলব!’
দুর্ভাগ্যকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে ব্যাটিংয়ে পুরোনো আত্মহননের যে রোগ ফিরে এল আজ, সেটিও তো দূর করা প্রয়োজন।
No comments:
Post a Comment